• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikary

রাজ্য

পুজোর আগেই বেতন, সঙ্গে ২০% অতিরিক্ত ডিএ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর

পুজোর আনন্দের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা। উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই অক্টোবর মাসের বেতন হাতে পাওয়ার পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে আয়োজিত এক সরকারি কর্মসূচিতে এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ডিএ পাওয়ার কথা ছিল নভেম্বর মাসে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থাৎ, পুজোর মাসে উৎসবের আগেই সরকারি কর্মচারীদের হাতে পৌঁছতে পারে অক্টোবরের বেতন এবং ঘোষিত অতিরিক্ত ডিএ।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থসচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, পুজোর মাসে যাতে কর্মচারীরা উৎসবের আগেই অক্টোবর মাসের বেতন পান এবং একই সঙ্গে ঘোষিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ-ও তাঁদের দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার যে ব্যবধান রয়েছে, তা একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের এই ব্যবধান একদিনে মেটানো সম্ভব নয়, তবে কর্মচারীদের বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নভেম্বর মাসে বর্ধিত ডিএ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেই অর্থপ্রদানের সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফলে পুজোর আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হাতে একসঙ্গে বেতন ও বর্ধিত ডিএ পৌঁছলে উৎসবের মরশুমে তাঁদের আর্থিক স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোর আগে বাড়তি খরচের সময়ে এই অতিরিক্ত অর্থ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধু ডিএ নয়, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিবেতন কমিশন নিয়েও এদিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে অষ্টম বেতন কমিশন চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজ্যে এখনও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হয়নি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে এলেই তা কার্যকর করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে একদিকে পুজোর আগেই অক্টোবরের বেতন ও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার আশ্বাসদুই ঘোষণাকে ঘিরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর থাকবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী পুজোর আগেই বেতন ও বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়ে অর্থ দফতর কী নির্দেশিকা জারি করে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজনীতি

PAC-Suvendu: পিএসি নিয়ে 'রাজনীতিকরণ'-্এর বিরুদ্ধে রাজভবনে শুভেন্দু, প্রচার চলবে গোটা দেশেও

পিএসির চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়কে মনোনিত করাকে তৃণমূলের অষ্টম আশ্চর্য বলে আখ্যা দিয়ে রাজ্যপালের কাছে ফের একবার দরবার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী, এই ঘটনায় স্পিকারকেও সরাসরি আক্রমণ করলেন তিনি। এদিকে, মঙ্গলবার বিধানসভার ৮ কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে গণইস্তফা দেন বিজেপি বিধায়করা। এরপর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা যান রাজভবনে। রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন স্মারকলিপি। সেখান থেকে বেরিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, বিজেপির পরিষদীয় দলের মতামত না নিয়ে ৮টি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদে বিজেপি বিধায়কদের বসিয়েছিলেন স্পিকার। পিএসি চেয়ারম্যান নিয়ে রাজনীতিকরণের জন্য তা প্রত্যাখ্যান করেছি। এর পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংসদীয় ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে গোটা দেশে বিজেপি প্রচার চালাতে চলেছে বলেও জানান শুভেন্দু। আরও পড়ুনঃ মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশবিধানসভার নিয়ম কানুন এবং রীতি-নীতির রক্ষক রাজ্যপাল। মুকুল রায়কে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান বেছে নিয়ে তা জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। রাজ্যপালের সঙ্গে প্রায় আধঘণ্টার সাক্ষাৎ করেন। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পিকারের উদ্দেশে তোপ দেগে বলেন, যেই ব্যক্তি সর্বসমক্ষে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। টুইটারে নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। তাঁকে বিজেপি বিধায়ক হিসেবে উল্লেখ করে পিএসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করছেন অধ্যক্ষ। তৃণমূল যেটা করেছে এটা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য।এই বিষয়ে যাতে গোটা দেশ জানতে পারে তা নিশ্চিত করতে যে স্মারকলিপি রাজ্যপালের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, তা রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যেও পাঠানো হবে বলে জানান শুভেন্দু। বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল সশরীরে গিয়েই রাষ্ট্রপতিকে বিষয়টি জানাবে বলেও তিনি উল্রেখ করেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার

এবার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল কলকাতা শহরজুড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশপার্ক, উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুড়গাছি, ফুলবাগানের মতো একাধিক এলাকায় রবিবার সকালে এই পোস্টারগুলি চোখে পড়েছে। কোনও পোস্টারে লেখা হয়েছে, কাজের মানুষ কাছের মানুষ, কোনওটিতে রাজীবের ছবির নিচে লেখা সততার প্রতীক এবং ছাত্র যুবর নয়েনের মণি। এতদিন শুভেন্দু অধিকারীর নামে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়ত। সেই পোস্টারগুলি দলের ব্যানারে ছিল না। ছিল দাদার অনুগামীর ব্যানারে। যা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ায় নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কী শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি মন্ত্রীত্ব ছাড়বেন। আরও পড়ুন ঃ নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২ উল্লেখ্য, শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজীব। তিনি বলেন, যারা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছেন তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হয় না। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে তাঁদের সামনের সারিতে আসতে দেওয়া হয় না। স্তাবকদের উন্নতি হয়। যারা ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন তাঁরাই সামনের সারিতে চলে আসেন। এই ঘটনা দুঃখ দেয়। মানুষ এত বোকা নয়। মানুষকে বোকা ভাবলে ভুল হবে। তাঁর মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পোস্টার পড়ল কলকাতা শহর জুড়ে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর দলবদল নিয়ে প্রত্যয়ী মুকুল

নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা চরমে উঠেছে। সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। শুক্রবার সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মন্ত্রিত্ব থেকে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু। সময়েই বলবে কোন পথে পা বাড়ান। আগামী দু, একদিনের মধ্যেই ইতি পড়বে। তবে উনি বিজেপিতে যোগদান করবেন বলে আমি আশাবাদী। প্রসঙ্গত, রবিবার শুভেন্দু অধিকারীর সভা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। সেই সভা থেকেই তিনি আগামী পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন বলে জোর জল্পনা। তার মাঝেই মুকুল রায়ের এই মন্তব্য স্বভাবতই শুভেন্দুকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার উল্লেখ্য, রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ার পর সপ্তাহখানেক কেটে গিয়েছে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই আগুনে প্রতিদিন ঘি দিচ্ছে তৃণমূল - বিজেপি দুপক্ষ। অরাজনৈ্তিক সভা করলেও সেখানে শুভেন্দু এ বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করছেন না। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে্র পর তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে , সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহল। শুভেন্দুর সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা করা হবে না, তৃণমূলের সূত্র মারফত এমনটাও জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি তাঁকে পেতে কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে। বঙ্গের একাধিক বিজেপি নেতার কথাবার্তায় তা একেবারে স্পষ্ট। এখন শুভেন্দু অধিকারী কবে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার

যারা দলবিরোধী কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি জেলা নেতৃ্ত্বদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। পূ্র্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি শিশির অধিকারীকে নির্দেশ দেন, নন্দীগ্রাম ও কাঁথি ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি বদল করে দিন। যারা দল বিরোধী কাজ করছে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে দল থেকে বের করে দিন। দল বিরোধী কাজ করছে এমন কাউকে ধরে রাখা যাবে না।যাঁরা সাহস করে আছে, সঙ্গে থাকুন। বিজেপি এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাবে। সাহস করে থাকতে চাইলে থাকুন নইলে লুঠেরাদের দলে যান। আরও পড়ুন ঃ দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান, পথ অবরোধ সূত্রের খবর, বৈঠকে শুভেন্দুর নাম নেননি মমতা। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শুভেন্দু অনুগামীদের দলবিরোধী কাজ বরদাস্ত করবেন না। শুভেন্দুর নাম না করে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ১ জন চলে গেলে ১ লক্ষ সম্পদ তৈরি হবে। যাঁরা এজেন্সির ভয়ে অন্যত্র যাচ্ছেন আমি তাঁদের পছন্দ করি না। সকল দলীয় নেতা-কর্মীকে অভয় দিয়ে তিনি বলেন, দলে নতুন পুরনো সবারই গুরুত্ব আছে। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে ভোটের লড়াই করার জন্য প্রস্তুত হন। যারা গোপনে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন , কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ভয় পাচ্ছেন, তাদের বলছি দল থেকে চলে যান। তিনি পরিষ্কারভাবে এদিনের বৈঠকে বলে দিয়েছেন, যারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করতে পারবেন না তাদের দলে থাকতে হবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

আর কোনও কথা নয়, শুভেন্দুকে হোয়াটসঅ্যা্পে জবাব সৌগতর

শুভেন্দুর পাঠানো হোয়াটস অ্যাপের জবাব বৃহস্পতিবার দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। সূত্রের খবর, সৌগত রায় লিখেছেন, তাঁর পক্ষে একসাথে কাজ করা যদি মুশকিল হয়, তাহলে মঙ্গলবারের বৈঠকে কেন একসাথে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সৌগতবাবু আরও বলেন, শুভেন্দু কোথায় যাচ্ছে আমি বলতে পারব না। শুভেন্দুর ব্যাপারে আর আমি আলোচনা করতে চাই না। এ বিষয়ে আর আলোচনা হবে কিনা আমার জানা নেই। এখন যা বলার শুভেন্দু বলবে। আমাদের ওকে নিয়ে বলার কিছু নেই। সৌগত রায় আরও জানিয়েছেন, শুভেন্দুর কাছ থেকে পাওয়া বার্তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতের বৈঠকের পর সৌগত রায় দাবি করেছিলেন, সমস্ত সমস্যা মিটে গেছে। কিন্তু বুধবার দুপুরেই সৌগত রায়কে করা শুভেন্দুর হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে বলা হয়, আমার বক্তব্যের এখনও কোনও সমাধান হয়নি। সমাধান না করেই আমার উপর সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৬ ডিসেম্বর সাংবাদিক সম্মেলন করে আমার সবকিছু জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই আপনারা প্রেস্কে সব জানিয়ে দিলেন। ফলে একসাথে কাজ করা মুশকিল। আমাকে মাফ করবেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল

শুভেন্দু এখনও তৃণমূলের বিধায়ক। তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপিতে এলে স্বাগত। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তিনি বলেন, শুভেন্দু গণআন্দোলনের নেতা। ও যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিজেপিতে স্বাগত। শুভেন্দু যে দলে আছে সেই দলের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেছে, দল নজর রেখেছে। সৌগত রায়ের গতকালের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, বয়স হয়ে গেলে অনেক কিছু ভুলে যান। তৃণমূল বলে এখন কিছু নেই। যে যার নিজের মতো চলে। কর্মী স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য আছে। আরও পড়ুন ঃ একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়, সৌগতকে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু শুভেন্দু এলে বিজেপির পক্ষে লাভজনক হবে। আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বলছি। শুভেন্দু এলে ভোট ব্যাঙ্ক সঙ্গে আসবে। এতেই লাভ হবে বিজেপির। মুকুলের আরও সংযোজন, পিকে কে? পিকের অবস্থান কি? শুভেন্দু এখন আমার ছোট ভাই। যখন সহ সভাপতি হয়েছিলাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। ওদের পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ রাজুর

মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই জেলা সফর শুরু করছেন। কিন্তু এতে লাভ কিছুই হবে না। সোমবার সকালে দুর্গাপুরের রাতুরিয়ায় চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আর তাঁকে জেলা সফরে না আসার পরামর্শ দেব। বয়স হয়েছে। কোরোনা আবহে তিনি বরং না বেরিয়ে বিশ্রাম নিন। শান্তিতে থাকুন। দরকারে কাশীতে ব্যবস্থা করে দেব। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, যার দুধের দাঁত ভাঙেনি তাঁকে নিয়ে কি বলব! জিরো ব্যালেন্সের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিরো বানাচ্ছেন বলেই দলের নেতারা জবাব দিচ্ছেন। একে একে সবাই সরে যাচ্ছেন। কদিন পর পিসি-ভাইপো কোম্পানিতে ২ জন ছাড়া আর কেউ-ই থাকবে না। আরও পড়ুন ঃ মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কোনও সরকার কিছু করেনিঃ শান্তনু ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যোগে লাভবান হবে বিজেপি? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবশ্যই। রাজনীতিতে, নন্দীগ্রামে ওনার একটা বড় অবদান আছে। উনি এলে আমাদের লড়াই আরও জোরদার হবে। আরও বেশি মানুষ এই লড়াইয়ের শরিক হবেন। বিজেপি নেতার কথায়, আমরা ওনাকে স্বাগত জানিয়েছি। উনি আসবেন কি না, সেটা ওনার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। উনি ঠিক করবেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক

কর্মী হোক বা নেতা, তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ প্যারাশুটে নামেনি। লিফটে ওঠেনি। রবিবার সাতগাছিয়ার জনসভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন ডায়মন্ড হারবারের তৃ্ণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, আপনারা যাঁরা এসেছেন কজন প্যারাশুটে নেমেছেন। কজন লিফটে উঠেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এটা মাথায় রাখতে হবে। দল সকলের কাছে মায়ের মতো। তৃণমূল কংগ্রেস সকলের মা। মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ছেড়ে কথা বলবেন? নিজে উচ্চাকাঙক্ষী হয়ে অন্য দলের হয়ে তাবেদারি তল্পিবাহক হলে ছেড়ে কথা বলবেন? মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করা যায় না। একটা বাংলা ছবির সংলাপ আছে, বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে পাওয়া যায় না। বিশ্বাসঘাতকতা করলে কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দেওয়া হবে। যতই নাড়ো কলকাটি নবান্নে আবার হাওয়াই চটি। পদ নয় পতাকা, নেত্রীর নাম মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি তৈরি হয়নি। একে ওকে দিয়ে মন্তব্য করিয়ে লাভ হবে না। ৩৪ বছরের তমশাচ্ছন্ন পশ্চিমবঙ্গের সূর্য মমতা। লড়াই করতে আসলে ঝলসে যাবেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের তৃণমূল কংগ্রেসে রাতারাতি কেউ নেতা হয়নি। কর্মী হোক বা নেতা- কেউ প্যারাশুটে নামেননি। লিফটেও ওঠেননি। লিফটে উঠলে একটা বিধানসভার সদস্য হয়ে থাকতেন না। কেউ কেউ অনেক কিছু বলে। গণতান্ত্রিক দেশে বলতেই পারেন। আমি প্যারাশুটে নামলে ৩৫টা পদের অধিকারী হতাম। প্যারাশুটে নামলে দক্ষিণ কলকাতায় লড়তাম, যেখানে আমি থাকি। ২০১৪ সালে প্রার্থী হয়েছি ডায়মন্ড হারবারের। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ছিলেন প্রয়াত সৌমেন মিত্র। তাঁর জমানায় কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিষেক এই প্রসঙ্গে বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কেউ বলছে জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। তবুও ময়দান ছেড়ে যাইনি। আপনাদের ভালবাসায় ৭১ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। সবচেয়ে কম ভোটের মার্জিন ছিল এই জেলায়। জেতার পর বুথে বুথে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছি। সেই ডায়মন্ডবারবার গতবার ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ভোট পেয়েছি। ৩ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জিতেছি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে বলেন, বিজেপির ছোট- বড় নেতারা একটাই কথা বলে ভাইপো। বুকে পাটা থাকলে আমার নাম নিয়ে দেখান। ভাববাচ্যে কথা বলে লাভ নেই। নাম নিয়ে বলার সাহস নেই। কারণ, মুকুল রায় বলেছিল, আমি নাকি বিশ্ববাংলা কোম্পানির মালিক। তারপর তাকে আদালতে ল্যাজেগোবরে হতে হয়েছিল। যে যখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, তাঁকেই হাই কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছি। সবসময় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই তারা আমার নাম নেওয়ার সাহস পায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও নেই। এরপরেই তিনি বলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা। দিলীপ ঘোষ গুন্ডা মাফিয়া। সুনীল দেওধর বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত। আমার দিদি কী করেছে আর তোমার মোদি কী করেছে, হোক প্রতিযোগিতা। তিনি আরও বলেন, আমফানে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার আমফানের জন্য ইতিমধ্যেই সাত হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। দলে থেকে অনেকেই খারাপ কাজ করছেন বলেও দাবি করেন যুব তৃণমূলে সভাপতি। ডায়মন্ড হারবারে আর দলবিরোধী কাজ সমর্থন করা হবে না বলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ার করেছেন অভিষেক।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ

শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শালীনতার সীমা ছাড়ালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক, এভাবেই শুভেন্দুর মন্ত্রিসভা ছাড়া ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। ্তিনি আরো বলেন, উনি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। বাংলায় যে যেখানেই জিতেছেন তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জিতেছেন। এরাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তাঁর আসনটিও পড়ে। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট প্রসঙ্গত, শুক্রবারই রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও একের পর এক সরকারি পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে চলেছেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। অন্যদিকে, ওই দিনই দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীও। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল ছেড়ে অনেক নেতা-কর্মীই বিজেপিতে যুক্ত হচ্ছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিজেপি নেতাদের দাবি, আগামী দিনে তৃণমূল ছেড়ে একাধিক বিধায়ক, নেতা বিজেপিতে আসবেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ

আমরা কেউই হেলিকপ্টারে নামিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি। আর সেই সিঁড়িটা তৈ্রি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সভা। তাঁর সভার পর পালটা সভা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি কারও নাম না করে বলেন, থাকে , মীরজাফররাও থাকে। ফিরহাদ বলেন , সকালে ডাকেননি কেন ? ডাকলে আসতাম। মালা দিতাম শহিদ তর্পণে। ডাকা হবে না , আসতে দেওয়া হবে না। আবার আমি আমি করে আমিত্ব দেখিয়ে কথা বলা হবে। এ কেমন কথা । আমি না বলতে হবে আমরা। তিনি আরও বলেন , মমতাদি কাজের সুযোগ না দিলে আমরা কেউ কিছু নই। আরও পড়ুন ঃ নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের তিনি বলেন, যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছে। সিপিএম খুব খারাপ ছিল। বিজেপি আরও খারাপ পার্টি। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের সুবিধা হয়। বাংলায় বিজেপির জায়গা নেই। ওরা মমতাকে সরাতে চায় ভাঙন ধরিয়ে। জন নেত্রী বাংলাকে ঠিক পথে রেখেছেন। বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধিতা করেন। বিজেপি এলে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ফিরবে। এসব হতে দেবেন না।

নভেম্বর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal